Class 9 Bengali Chapter 7 (নোঙর) Short Questions এক কথায় উত্তর দাও

‘নোঙর’ কবিতাটি কার লেখা?

উত্তর: ‘নোঙর’ কবিতাটি কবি অজিত দত্তের লেখা। 



বাংলা কবিতার ইতিহাসে কোন্ সময়ে কবি অজিত দত্তের আবির্ভাব ঘটেছিল? 

উত্তর: বিংশ শতকের তিন-চারের দশকে কবি অজিত দত্তের আবির্ভাব ঘটেছিল। 



‘নোঙর’ শব্দের অর্থ লেখো। 

উত্তর: বড়শি আকৃতির লোহার তৈরি যন্ত্র, যা নৌকাকে তটের কিনারে আটকে রাখে, তাকেই নোঙর বলে। 



‘পাড়ি দিতে দূর সিন্ধুপারে'—কবিতার কথক কীসে করে সিন্ধুপারে পাড়ি দিতে চান? 

উত্তর: কবিতার কথক নৌকা করে সিন্ধুপারে পাড়ি দিতে চান। 



কবিতার কথক কোথায় পাড়ি দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন? 

উত্তর: কবিতার কথক সুদূর সিন্ধুপারে পাড়ি দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। 



নোঙর কোথায় পড়ে গিয়েছে? 

উত্তর: নোঙর তটের কিনারে পড়ে গিয়েছে।



‘সারারাত মিছে দাঁড় টানি।'— সারারাত মিছে দাঁড় টেনেছেন কেন?

উত্তর: তটের কিনারে নৌকার নোঙর পড়ে গিয়েছে, তাই কবি সারারাত মিছে দাঁড় টেনেছেন। 


‘জোয়ারের ঢেউগুলি ফুলে ফুলে ওঠে,' ঢেউগুলি ফুলে ফুলে উঠে কী করে? 

উত্তর: জোয়ারের ঢেউগুলি ফুলে ফুলে উঠে কবিতার কথকের নৌকায় মাথা ঠুকে ফের সমুদ্রের দিকে ছুটে যায়। 



‘সমুদ্রের দিকে তারা ছোটে।'—সমুদ্রের দিকে কারা ছোটে?  

উত্তর: জোয়ারের ঢেউগুলি সমুদ্রের দিকে ছোটে। 



‘তারপর ভাঁটার শোষণ'—ভাটার শোষণ কখন শুরু হয়? 

উত্তর: জোয়ারের পর ভাটার শোষণ শুরু হয়। 


 

‘তারপর ভাঁটার শোষণ"—ভাটার শোষণ কী? 

উত্তর: ভাটার ফলে নদীতে জলস্ফীতি হ্রাস পায়। জল কমে আসে। একেই কবি ভাটার শোষণ বলেছেন। 



‘স্রোতের প্রবল প্রাণ করে আহরণ।-কেন এমন হয়? 

উত্তর: ভাটার শোষণের ফলে জল কমে আসে, তাই স্রোতের প্রবল প্রাণ অর্থাৎ ঢেউয়েরা স্তিমিত হয়ে আসে।



কে স্রোতের প্রবল প্রাণ আহরণ করে নেয়?

উত্তর: ভাটার টান এসে স্রোতের প্রবল প্রাণ আহরণ করে নেয়। 

 


জোয়ারভাটায় কী বাঁধা আছে? 

উত্তর: জোয়ারভাটায় তটভূমি বাঁধা আছে। 



কবিতার কথকের তরিটি কেমন ছিল? 

উত্তর: কবিতার কথকের তরিটি পণ্যবাহী বাণিজ্যতরি ছিল।  



‘বাণিজ্য-তরী’ কোথায় বাঁধা পড়ে আছে? 

উত্তর: কবিতার কথকের বাণিজ্যতরি জোয়ারভাটায় বাঁধা তটের কাছে নোঙরে আটকা পড়ে আছে। 



নৌকা কীসে চিরকাল বাঁধা আছে? 

উত্তর: চিরকাল নোঙরের কাছিতে বাঁধা আছে। 



দাঁড় টানা ও পাল বাঁধা সত্ত্বেও নৌকার অগ্রগমন হয় না কেন? 

উত্তর: দাঁড় টানা ও পাল বাঁধা সত্ত্বেও নৌকা নোঙরের কাছিতে আবদ্ধ থাকায়, তার কোনো অগ্রগমন হয় না। 



সাগরগর্জনে কে বা কারা কেঁপে ওঠে? 

উত্তর: সাগরগর্জনে কবিতার কথকের ব্যক্তিক অবকাশের নিস্তব্ধ মুহূর্তগুলি কেঁপে ওঠে। 



দাঁড়ের নিক্ষেপে কবি কী শুনতে পান? 

উত্তর: দাঁড়ের নিক্ষেপে কবিতার কথক স্রোতের বিদ্রুপ শুনতে পান। 



'স্রোতের বিদ্রুপ করার কারণ কী? 

উত্তর: কবিতার কথক বার বার দাঁড় টানা সত্ত্বেও নৌকা এগোয় না, কথকের ব্যর্থতা দেখে স্রোত বিদ্রুপ করে।



কবিতার কথক কীভাবে দিকের নিশানা ঠিক করার চেষ্টা করেন? 

উত্তর: কবিতার কথক আকাশের তারার পানে চেয়ে দিকের নিশানা ঠিক করার চেষ্টা করেন। 



কীসের বিরাম নেই? 

উত্তর: নৌকাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার আশায় দাঁড় টানার বিরাম নেই। 



কবি কীভাবে সপ্তসিন্ধুপারে পাড়ি দিতে চান? 

উত্তর: কবি তরি-ভরা পণ্য নিয়ে সপ্তসিন্ধুপারে পাড়ি দিতে চান। 



নোঙর কোথায় কীভাবে পড়ে গেল? 

উত্তর: কবিতার কথকের অজ্ঞাতে নোঙর তটের কিনারে পড়ে যায়। 



কবিতায় নৌকা ও নোঙর কীসের প্রতীক? 

উত্তর: কবিতাটিতে নৌকা গতিশীল জীবন এবং নোঙর বন্ধন বা আবদ্ধতার প্রতীক। 



নৌকায় দাঁড় ও পালের কার্যকারিতা কী? 

উত্তর: পাল বাতাসের গতিকে কাজে লাগিয়ে আর দাঁড় জল কেটে নৌকাকে এগিয়ে নিয়ে চলে। 



নোঙর কবিতায় কবিতার কথকের কোন্ মূল মনোভাবটি ফুটে উঠেছে? 

উত্তর: নোঙর কবিতায় গণ্ডিবদ্ধ জীবনের আবদ্ধতার বিপরীতে মুক্তির আকাঙ্ক্ষার আকুতি প্রকাশিত হয়েছে।