‘নোঙর’ কবিতাটি কার লেখা?
উত্তর: ‘নোঙর’ কবিতাটি কবি অজিত দত্তের লেখা।
বাংলা কবিতার ইতিহাসে কোন্ সময়ে কবি অজিত দত্তের আবির্ভাব ঘটেছিল?
উত্তর: বিংশ শতকের তিন-চারের দশকে কবি অজিত দত্তের আবির্ভাব ঘটেছিল।
‘নোঙর’ শব্দের অর্থ লেখো।
উত্তর: বড়শি আকৃতির লোহার তৈরি যন্ত্র, যা নৌকাকে তটের কিনারে আটকে রাখে, তাকেই নোঙর বলে।
‘পাড়ি দিতে দূর সিন্ধুপারে'—কবিতার কথক কীসে করে সিন্ধুপারে পাড়ি দিতে চান?
উত্তর: কবিতার কথক নৌকা করে সিন্ধুপারে পাড়ি দিতে চান।
কবিতার কথক কোথায় পাড়ি দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন?
উত্তর: কবিতার কথক সুদূর সিন্ধুপারে পাড়ি দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।
নোঙর কোথায় পড়ে গিয়েছে?
উত্তর: নোঙর তটের কিনারে পড়ে গিয়েছে।
‘সারারাত মিছে দাঁড় টানি।'— সারারাত মিছে দাঁড় টেনেছেন কেন?
উত্তর: তটের কিনারে নৌকার নোঙর পড়ে গিয়েছে, তাই কবি সারারাত মিছে দাঁড় টেনেছেন।
‘জোয়ারের ঢেউগুলি ফুলে ফুলে ওঠে,' ঢেউগুলি ফুলে ফুলে উঠে কী করে?
উত্তর: জোয়ারের ঢেউগুলি ফুলে ফুলে উঠে কবিতার কথকের নৌকায় মাথা ঠুকে ফের সমুদ্রের দিকে ছুটে যায়।
‘সমুদ্রের দিকে তারা ছোটে।'—সমুদ্রের দিকে কারা ছোটে?
উত্তর: জোয়ারের ঢেউগুলি সমুদ্রের দিকে ছোটে।
‘তারপর ভাঁটার শোষণ'—ভাটার শোষণ কখন শুরু হয়?
উত্তর: জোয়ারের পর ভাটার শোষণ শুরু হয়।
‘তারপর ভাঁটার শোষণ"—ভাটার শোষণ কী?
উত্তর: ভাটার ফলে নদীতে জলস্ফীতি হ্রাস পায়। জল কমে আসে। একেই কবি ভাটার শোষণ বলেছেন।
‘স্রোতের প্রবল প্রাণ করে আহরণ।-কেন এমন হয়?
উত্তর: ভাটার শোষণের ফলে জল কমে আসে, তাই স্রোতের প্রবল প্রাণ অর্থাৎ ঢেউয়েরা স্তিমিত হয়ে আসে।
কে স্রোতের প্রবল প্রাণ আহরণ করে নেয়?
উত্তর: ভাটার টান এসে স্রোতের প্রবল প্রাণ আহরণ করে নেয়।
জোয়ারভাটায় কী বাঁধা আছে?
উত্তর: জোয়ারভাটায় তটভূমি বাঁধা আছে।
কবিতার কথকের তরিটি কেমন ছিল?
উত্তর: কবিতার কথকের তরিটি পণ্যবাহী বাণিজ্যতরি ছিল।
‘বাণিজ্য-তরী’ কোথায় বাঁধা পড়ে আছে?
উত্তর: কবিতার কথকের বাণিজ্যতরি জোয়ারভাটায় বাঁধা তটের কাছে নোঙরে আটকা পড়ে আছে।
নৌকা কীসে চিরকাল বাঁধা আছে?
উত্তর: চিরকাল নোঙরের কাছিতে বাঁধা আছে।
দাঁড় টানা ও পাল বাঁধা সত্ত্বেও নৌকার অগ্রগমন হয় না কেন?
উত্তর: দাঁড় টানা ও পাল বাঁধা সত্ত্বেও নৌকা নোঙরের কাছিতে আবদ্ধ থাকায়, তার কোনো অগ্রগমন হয় না।
সাগরগর্জনে কে বা কারা কেঁপে ওঠে?
উত্তর: সাগরগর্জনে কবিতার কথকের ব্যক্তিক অবকাশের নিস্তব্ধ মুহূর্তগুলি কেঁপে ওঠে।
দাঁড়ের নিক্ষেপে কবি কী শুনতে পান?
উত্তর: দাঁড়ের নিক্ষেপে কবিতার কথক স্রোতের বিদ্রুপ শুনতে পান।
'স্রোতের বিদ্রুপ করার কারণ কী?
উত্তর: কবিতার কথক বার বার দাঁড় টানা সত্ত্বেও নৌকা এগোয় না, কথকের ব্যর্থতা দেখে স্রোত বিদ্রুপ করে।
কবিতার কথক কীভাবে দিকের নিশানা ঠিক করার চেষ্টা করেন?
উত্তর: কবিতার কথক আকাশের তারার পানে চেয়ে দিকের নিশানা ঠিক করার চেষ্টা করেন।
কীসের বিরাম নেই?
উত্তর: নৌকাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার আশায় দাঁড় টানার বিরাম নেই।
কবি কীভাবে সপ্তসিন্ধুপারে পাড়ি দিতে চান?
উত্তর: কবি তরি-ভরা পণ্য নিয়ে সপ্তসিন্ধুপারে পাড়ি দিতে চান।
নোঙর কোথায় কীভাবে পড়ে গেল?
উত্তর: কবিতার কথকের অজ্ঞাতে নোঙর তটের কিনারে পড়ে যায়।
কবিতায় নৌকা ও নোঙর কীসের প্রতীক?
উত্তর: কবিতাটিতে নৌকা গতিশীল জীবন এবং নোঙর বন্ধন বা আবদ্ধতার প্রতীক।
নৌকায় দাঁড় ও পালের কার্যকারিতা কী?
উত্তর: পাল বাতাসের গতিকে কাজে লাগিয়ে আর দাঁড় জল কেটে নৌকাকে এগিয়ে নিয়ে চলে।
নোঙর কবিতায় কবিতার কথকের কোন্ মূল মনোভাবটি ফুটে উঠেছে?
উত্তর: নোঙর কবিতায় গণ্ডিবদ্ধ জীবনের আবদ্ধতার বিপরীতে মুক্তির আকাঙ্ক্ষার আকুতি প্রকাশিত হয়েছে।
