Class 9 Life Science Chapter 3 (জৈবনিক প্রক্রিয়া) Part 4 Topic 2 (সংবহন) Short Questions এক কথায় উত্তর দাও

মেরুদণ্ডী প্রাণীর রকে আাসরজগকটি কী?

হিমােয়োবিন।



হিমােগ্লোবিন কী?

মেরুদন্ডী প্রাপীদের লােহিত রক্তকণিকায় এবং অমেরুদণ্ডী প্রাণীদের রক্তরসে অবস্থিত লৌহযুক্ত, প্রােটিনজাতীয়, লাল রঙের শ্বাসরজ্ক কশা হল হিমােগ্লোবিন।



রক্তে হিমােগ্লোবিনের অভাবে কী রােগ দেখা দেয় ?

অ্যানিমিয়া।



একজন সুস্থ মানুষের রক্তে হিমােগ্লোবিন মাত্রা কত হয়?

একজন স্বাভাবিক ও সুস্ধ মানুষের রক্তে হিমােগ্লোবিন যাত্রা 14.5 gm/ dl. (গ্রাম/ডেসিলিটার) হয়।



কোন যন্ত্রের সাহায্যে রক্তের হিমােগ্লোবিন মাপা হয় ?

হিমােয়লোেবিনােমিটার।



হিমােগ্লোবিনের গঠনগত অংশগুলি কী কী?

হিমােগ্লোবিনের দুটি গঠনগত অংশ হল—হিম নামক লৌহঘটিত রঙ্গক এবং গ্লোবিন নামক প্রােটিন।



রক্তের রং লাল হয় কেন ?

রক্তের লােহিত রক্তকণিকায় হিমােগ্লোবিন নামক লাল রঙের শ্বাসরজনক থাকায় রক্তের রং লাল হয় |



মানুষের লােহিত রক্তকণিকার গঠনগত বৈশিষ্ট্য কী?

পরিপত অবস্থায় মানুষের লােহিত রক্তকণিকাগুলি নিউক্লিয়াসবিহীন ও দ্বি-অবতল হয়।



রক্তের দুটি অজৈব উপাদানের নাম কী?

সােডিয়াম ও পটাশিয়াম।



রক্তের দুটি জৈব উপাদানের নাম লেখাে।

গ্লুকোজ ও অ্যালবুমিন।



রক্তে অবস্থিত দুটি ফ্যাটের নাম কী?

কোলেস্টেরল এবং ট্রাইগ্লিসারহিড |



রক্তকণিকার উৎসস্থল কোথায় ?

লাল অস্থিমজ্জা।



রক্তকণিকার ধ্বংসের স্থান কোথায় ?

যকৃৎ ও প্লিহা।



মানবদেহে প্রতি ঘন মিমি রক্তে শ্বেতকণিকার সংখ্যাগত স্বাভাবিক পরিমাণ কত?

মানবদেহে প্রতি ঘন মিমি রক্তে শ্বেতকণিকার স্বাভাবিক সংখ্যাগত পরিমাণ 5 হাজার-10 হাজার।



কোন্ রক্তকণিকা শ্বাসবায়ু পরিবহণ করে ?

লােহিত রক্ত কণিকা



কোন রক্তকণিকা রােগজীবাণু ধ্বংস করে অনাক্রম্যতা প্রদান করে ?

শ্বেত রক্তকণিকা।



মেরুদণ্ডী প্রাণীর রক্তের কোন অংশে হিমোেগ্লাবিন থাকে?

মেরুদণ্ডী প্রাণীর রক্তের লােহিত রক্তকণিকায় হিমােগ্লোবিন থাকে।



মানুষ ও অন্যান্য স্তন্যপায়ীর কোন্ কোশে পরিণত অবস্থায় নিউক্লিয়াস থাকে না?

মানুষ ও অন্যান্য স্তন্যপায়ীর পরিণত লােহিত রক্তকণিকায় নিউক্লিয়াস থাকে না।



প্লাজমা ছাড়া স্তন্যপায়ী প্রাণীর রক্তের অপর যে-কোনাে দুটি উপাদানের নাম করাে।

প্লাজমা ছাড়া স্তন্যপায়ী প্রাণীর রক্তের অপর দুটি উপাদান হল লােহিত রক্তকণিকা ও শ্বেত রক্তকণিকা।



বৃহত্তম রক্তকোশ কোন্‌টি?

মনোসাইট।



কোন্ রক্তকোশ ফ্যাগোসাইটোসিস পদ্ধতিতে জীবাণু ধ্বংস করে?

নিউট্রোফিল ও মনোসাইট নামক শ্বেত রক্তকণিকাগুলি ফ্যাগোসাইটোসিস পদ্ধতিতে জীবাণু ধ্বংস করে।



RBC-র সম্পূর্ণ নাম কী ?

রেড ব্লাড করপাল (red blood corpuscle )



WBC-এর সম্পূর্ণ নাম কী ?

হোয়াইট ব্লাড করপাসূল (white blood corpuscle)।



অণুচক্রিকা কী?

অণুচক্রিকা হল রক্ততঞ্জনে সহায়ক রক্তকণিকা।



মানবদেহে প্রতি ঘন মিমি রক্তে অণুচক্রিকার স্বাভাবিক সংখ্যা কত?

মানবদেহে প্রতি ঘন মিমি রক্তে অণুচক্রিকার স্বাভাবিক সংখ্যা হল 2.5 লক্ষ - 4 লক্ষ।



Rh ফ্যাক্টর প্রথম আবিষ্কৃত হয় কোন্ জীবে?

Rh ফ্যাক্টর প্রথম আবিষ্কৃত হয় রিসাস নামক ভারতীয় বানরে।



অ্যাগ্লুটিনোজেন কাকে বলে?

লোহিত রক্তকণিকার পর্দাগাত্রে উপস্থিত অ্যান্টিজেনকে অ্যাগ্লুটিনোজেন বলে।



রক্তের শ্রেণিগুলি কী কী ?

রক্তের শ্রেণিগুলি হল- ABO শ্রেণি— A, B,AB এবং O ও Rh শ্রেণি +ve, -ve



O গ্রুপে উপস্থিত অ্যান্টিজেন ও অ্যান্টিবডির নাম লেখো।

0-গ্রুপে কোনো অ্যান্টিজেন থাকেনা এবং α ও β নামক দুটি অ্যান্টিবডি থাকে।



AB শ্রেণির রক্তে কোন্ কোন্ অ্যান্টিজেন ও অ্যান্টিবডি থাকে?

AB শ্রেণির রক্তে অ্যান্টিজেন A ও B থাকে কিন্তু কোনো অ্যান্টিবডি থাকে না।



ভারতে কোনো ব্যক্তির ওজন ও বয়স কত হলে তিনি রক্তদান করতে পারেন?

50 কেজির ঊর্ধ্বে ওজন ও 18-60 বছর বয়স হলে ভারতে কোনো ব্যক্তি রক্তদান করতে পারেন।



একজন AB শ্রেণির রক্তসম্পন্ন ব্যক্তির রক্তের প্রয়োজন হয়েছে। তুমি তার জন্য কোন শ্রেণির রক্তের খোঁজ করবে?

AB-শ্রেণির রক্তসম্পন্ন ব্যক্তির রক্তের প্রয়োজন হলে AB-শ্রেণির রক্ত পাওয়া গেলে ভালো, অন্যথায় যে-কোনো গ্রুপের রক্ত দিলেই চলবে।



O শ্রেণির রক্তধারণকারী ব্যক্তির দেহে কোন শ্রেণির রক্ত সঞ্চারিত করা সম্ভব?

O শ্রেণীর রক্ত।



ব্রুস ম্যাচিং বলতে কী বোঝ?

যে অবশ্য পালনীয় কর্তব্য হিসেবে রক্ত সারণের পূবে, দাতা ও গ্রহীতার রক্ত সামঞ্জস্যপূর্ণ কিনা তা নির্ণয় করা হয়, তাকে ব্রুস ম্যাচিং বলে।



রক্ত জমাটবাঁধার পদ্ধতিকে কী বলে?

রক্ততঞ্জন |



থ্রম্বোসাইট কী?

মেরুদণ্ডী প্রাণীদের রক্ততঞ্জনে সাহায্যকারী কোশকে থ্রম্বোসাইট বলে।



সিরাম কী?

রক্ত তঞ্চিত হওয়ার পরে রক্ত থেকে রক্তকণিকা, ফাইব্রিনোজেন ও প্রোথ্রম্বিন নামক প্রোটিনবিহীন, যে জলীয় স্বচ্ছ অংশ নিঃসৃত হয়, তাকে সিরাম (serum) বলে।



রক্ততঞনে সাহায্যকারী খনিজ মৌল ও ভিটামিনের নাম কী ?

রক্ততঞ্জনে সাহায্যকারী খনিজ মৌল হল Ca (ক্যালশিয়াম) এবং ভিটামিন হল ভিটামিন K |



কোন্ উৎসেচক রক্ততঞ্চনে সাহায্য করে?

থ্রম্বোকাইনেজ বা থ্রম্বোপ্লাসটিন।



রক্ততঞ্চনের জন্য সহায়ক প্লাজমা প্রোটিনের নাম লেখো।

ফাইব্রিনোজেন।



রক্ততঞ্চন কাল বা CT কী?

রক্ততঞ্জন ঘটতে 3-8মিনিট (গড়ে 3 মিনিট সময় লাগে। এই সময়কে রতন কাল (clotting time) বা CT বলে।



কোন্ পদার্থের জন্য রক্ত রক্তবাহের ভিতর জমাট বাঁধে না?

হেপারিন।



রক্ততঞ্চন না হলে কী হবে?

রক্ততঞ্ছন না হলে অধিকমাত্রায় রক্তক্ষরণের ফলে জীবনসংশয় দেখা দিতে পারে।



দুটি প্রাকৃতিক অ্যান্টিকোয়াগুল্যান্টের (রক্ততঞনরোধক পদার্থের) নাম লেখো।

হেপারিন (বেসোফিল ক্ষরিত) ও হিরুডিন (জোঁকের দেহ থেকে প্রাপ্ত) হল দুটি প্রাকৃতিক অ্যান্টিকোয়াগুল্যান্ট।



ব্লাডব্যাংকে ব্যবহৃত দুটি কৃত্রিম অ্যান্টিকোয়াগুল্যান্টের (রক্ততঞ্চনরোধক পদার্থের নাম) লেখো।

সোডিয়াম অক্সালেট ও সোডিয়াম সাইট্রেট হল দৃষ্টি কৃতিম অ্যান্টিকোয়াগুল্যান্ট।