‘দিনটা ভারী বিশ্রী। – দিনটা কেন বিশ্রী?
উত্তর: 'নিরুদ্দেশ' গল্পে কথকের দিনটা বিশ্রী মনে হয়েছে কারণ শীতের দিনে বাদলার অস্বস্তিকর পরিবেশ ও মেঘাচ্ছন্ন আকাশ এবং তার ওপর তার মানসিক অবস্থা।
‘একটা আশ্চর্য ব্যাপার দেখেছ?’ –আশ্চর্য ব্যাপারটা কী?
উত্তর: গল্পকথকের কথায় আশ্চর্য ব্যাপারটি হল, সেদিনের কাগজের সাত-সাতটি নিরুদ্দেশের বিজ্ঞাপন।
সোমেশ কোথায় এসেছিলেন?
উত্তর: ‘নিরুদ্দেশ’ গল্পে সোমেশ গল্পকথকের বাড়িতে এসেছিলেন।
খবরের কাগজে কীসের বিজ্ঞাপন বেরিয়েছিল?
‘নিরুদ্দেশ’ গল্প অনুসারে খবরের কাগজে সাতটা নিরুদ্দেশের বিজ্ঞাপন বেরিয়েছিল।
নিরুদ্দেশের বিজ্ঞাপন সম্পর্কে কথকের মন্তব্য কী ছিল?
উত্তর: নিরুদ্দেশের বিজ্ঞাপনগুলো দেখলে গল্পকথকের হাসি পায়, এমনটাই ছিল তাঁর অভিমত।
মা ছেলেকে কোথা থেকে টাকা বার করে দিয়েছিলেন?
উত্তর: মা ছেলেকে লুকানো পুঁজি থেকে টাকা বার করে দিয়েছিলেন। প্রশ্ন
'...তিনি জেনে শুনে মিথ্যে আর বলতে পারেন না–চুপ করে থাকেন'। তিনি কে? মিথ্যে কথাটিই বা কী?
উত্তর: এক্ষেত্রে তিনি হলেন নিরুদ্দেশ' গল্পের নিরুদ্দিষ্ট ছেলেটির মা। ‘ছেলের পীড়াপীড়িতে তিনি তাঁর লুকোনো পুঁজি থেকে ছেলেকে পয়সা দিয়েছিলেন এই মিথ্যেটাই না বলে তিনি চুপ ছিলেন।
গুণধর পুত্র কখন ঘরে প্রবেশ করেছিল?
উত্তর: ‘নিরুদ্দেশ’ গল্প অনুসারে, বাবার মৌখিক আস্ফালন যখন তীব্র হয়ে উঠছিল, তখনই গুণধর পুত্র ঘরে প্রবেশ করেছিল।।
‘পিতৃদেবের এ আদেশ তৎক্ষণাৎ পালন করতে উদ্যত হয়।'—আদেশটি কী ছিল এবং কে তা পালনে উদ্যত হল?
উত্তর: বাবা ছেলেকে ভর্ৎসনা করে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যেতে বলেন এবং এই শুনে অভিমানী ছেলে তৎক্ষণাৎ তা পালনে উদ্যত হয়।
‘পরের দিন ভয়ানক কাণ্ড’—‘ভয়ানক কাণ্ডটি কী?
উত্তর: ‘ভয়ানক’ কাণ্ডটি হল সন্তান হারানোর ব্যথায় উপোসী মা শারীরিক অবস্থার ক্রমাবনতির কারণে বিছানায় শয্যাশায়ী। তাঁর বিছানা ছেড়ে ওঠার সম্ভাবনাও ক্ষীণ।
বাবা গৃহিণীকে ধমক দিয়ে কী বলেছিলেন?
উত্তর: ‘নিরুদ্দেশ’ গল্প অনুসারে, বাবা গৃহিণীকে ধমক দিয়ে বলেছিলেন, 'মিছিমিছি প্যানপ্যান কোরো না, এমন ছেলে যাওয়াই ভালো।'
‘বাবা কথাটিকে ব্যঙ্গ করে উড়িয়ে দিতে চান’—কী ব্যঙ্গ করে উড়িয়ে দিতে চেয়েছিলেন?
উত্তর: শীতের রাতে বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে ছেলে কীভাবে রাত কাটাবে বা কোনো অঘটন ঘটবে কি না—মায়ের এইসব শঙ্কাকে বাবা ব্যঙ্গ করে উড়িয়ে দিতে চেয়েছিলেন।
ছেলে কোথায় আছে বলে বাবার ধারণা?
উত্তর: ‘নিরুদ্দেশ' গল্পের কথকের বর্ণনা অনুসারে, ছেলে বন্ধুর বাড়িতেই আছে বলে বাবা মনে করেন।
'ফিরে এসে দেখেন অবস্থা গুরুতর গুরুতর অবস্থাটি কী?
উত্তর: গুরুতর অবস্থাটি হল নিরুদ্দিষ্ট ছেলেটির বাবা অফিস থেকে ফিরে এসে দেখলেন ছেলে বাড়ি ফেরেনি আর মাও শয্যাশায়ী।
'না আর থাকতে দিলে না'—বাবা আর ঘরে না থেকে কোথায় গেলেন?
উত্তর: ‘নিরুদ্দেশ’ গল্পের কথক-বর্ণিত কাহিনির জনৈক বাবা তাঁর স্ত্রীর অবস্থা দেখে আর ঘরে না থেকে একেবারে সোজা গিয়ে ওঠেন খবরের কাগজের অফিসে।
‘এ অশান্তির চেয়ে বনবাস ভালো' - বক্তা কখন এ কথা বলেছেন?
উত্তর: ‘নিরুদ্দেশ’ গল্পে নিরুদ্দিষ্ট ছেলেটির বাবা অফিস থেকে ফিরে যখন দেখেন ছেলে ফেরেনি ও শোকগ্রস্ত মাও যেন বিছানা থেকে না ওঠার পণ করেছেন; তখন বিরক্ত হয়ে তিনি এমন মন্তব্য করেন।
বাবা খবরের কাগজের অফিসে কেন গিয়েছিলেন?
উত্তর: ‘নিরুদ্দেশ’ গল্প অনুসারে, বাড়ি থেকে চলে যাওয়া ছেলের জন্য নিরুদ্দেশের বিজ্ঞাপন দিতে বাবা খবরের কাগজের অফিসে গিয়েছিলেন।
'নিরীহ চেহারার লোকটি হঠাৎ মুখ তুলে ব্যঙ্গের স্বরে বলেন’ – নিরীহ চেহারার লোকটি কে? তিনি কাকে কথাগুলো বলেছেন?
উত্তর: নিরীহ চেহারার লোকটি হলেন সংবাদপত্রের কর্মচারী। তিনি নিরুদ্দিষ্ট পুত্রের সন্ধানরত এক পিতাকে কথাগুলি বলেছিলেন।
'কী দেবেন—চেহারার বর্ণনা, না ফিরে আসার অনুরোধ–কে, কাকে এ কথা বলেছিলেন?
উত্তর: খবরের কাগজের অফিসের এক ভদ্রলোক নিরুদ্দিষ্ট ছেলেটির বাবাকে এই কথা জিজ্ঞাসা করেছিলেন।
'কী দেবেন—চেহারার বর্ণনা, না ফিরে আসার অনুরোধ’—জনৈক বাবা বিজ্ঞাপনে কোন্টি দিতে চেয়েছিলেন?
উত্তর: ‘নিরুদ্দেশ’ গল্প অনুসারে কথক-বর্ণিত কাহিনির জনৈক বাবা বিজ্ঞাপনে চেহারার বর্ণনা না দিয়ে ছেলের ফিরে আসার অনুরোধ দিতে চেয়েছিলেন। কারণ ছেলেটির মা খুবই কান্নাকাটি করছিল।
বাবা আশ্বস্ত হয়ে ঘরে ফিরেছিলেন কেন?
উত্তর: ‘নিরুদ্দেশ' গল্প অনুসারে, কাগজের অফিসের লোকেরা ভালোভাবে ছেলের নিরুদ্দেশের বিজ্ঞাপন ছাপিয়ে দৈবেন বলায়, বাবা আশ্বস্ত হয়ে ঘরে ফিরেছিলেন।
বাড়ি ফিরে জনৈক বাবা কী দেখেছিলেন?
উত্তর: ‘নিরুদ্দেশ’ গল্প অনুসারে, খবরের কাগজের অফিস থেকে বাড়ি ফিরে বাবা দেখেন তাঁর ছেলে ফিরে এসেছে।
ছেলে বাড়ি ফিরে এসেছিল কেন?
উত্তর: ছেলের মতে, গোটাকতক বই নিয়ে যাবার জন্য সে বাড়ি ফিরে এসেছিল।
‘এবার মা-র ক্রুদ্ধস্বর শোনা যায়'—এবার বলতে কোন সময়কে বোঝানো হয়েছে?
উত্তর: ‘নিরুদ্দেশ’ গল্পে কথক বর্ণিত কাহিনির নিরুদ্দিষ্ট ছেলেটি যখন বাড়ি ফিরে এসে তার কিছু বইপত্র নিয়ে পুনরায় বাড়ি ছেড়ে যাবার কথা বলে, এখানে সেই সময়ের কথা বলা হয়েছে।
‘অমনি কুলাঙ্গার তুই তো হয়েছিস'। — ‘কুলাঙ্গার’ শব্দের অর্থ কী? মা এমন কথা ছেলেকে বলেছিলেন কেন?
উত্তর: বংশের মর্যাদা নষ্টকারীকে ‘কুলাঙ্গার’ বলা হয়। ছেলেটি বাবার সামান্য বকুনি খেয়ে বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে গিয়েছিল, যা বংশের মর্যাদাহানিকর, তাই মা এমন কথা বলেছেন।
ছেলে ফিরে আসার পর মা, বাবাকে কী বলেছিলেন?
উত্তর: নিরুদ্দিষ্ট ছেলে ফিরে আসলে মা ছেলেকে বকলে বাবা বারণ করেন। তখন মা-বাবাকে বলেন, অত আদর ভালো নয়। একটু বকুনি খেয়েছে বলে বাড়ি ছেড়ে চলে যাবে এত স্পর্ধা ভালো নয়।
‘তুমি থামো, এত আদর ভালো নয়'—এ কথা কে, কাকে বলেছিলেন?
উত্তর: প্রেমেন্দ্র মিত্র রচিত ‘নিরুদ্দেশ’ গল্পের নিরুদ্দিষ্ট ছেলেটি যখন বাড়ি ফিরে আসে তখন কথাপ্রসঙ্গে মা ছেলেটির বাবাকে এ কথা বলেছিলেন।
‘অধিকাংশ নিরুদ্দেশের বিজ্ঞাপনের ইতিহাস এই’—ইতিহাসটি কী?
উত্তর: ইতিহাসটি হল বাবার বকুনি খেয়ে ছেলে ঘর ছাড়লে বাবা-মার মনোমালিন্য হয়। নিরুপায় বাবা কাগজে বিজ্ঞাপন দেয় আর তা প্রকাশিত হবার আগেই ছেলে ফিরে আসে।
‘এই বিজ্ঞাপনের পেছনে অনেক সত্যকার ট্র্যাজিডি থাকে...’ –‘সত্যকার ট্র্যাজেডিটি কী?
উত্তর: 'নিরুদ্দেশ’ গল্পের কথকের বন্ধু সোমেশের কথিত কাহিনির নিরুদ্দিষ্ট, জমিদার বংশের একমাত্র সন্তান শোভন বাড়ি ছেড়ে চলে যাবার দুবছর পর যখন বাড়ি ফিরে আসে তখন তার বাড়ির লোক চিনতে পারেনি। সত্যিকারের ট্রাজেডি এটাই।
সোমেশ যে গল্পটি বলেছিলেন তার মূল কথাটি কী?
উত্তর: ‘নিরুদ্দেশ’ গল্পের কথকের বন্ধু সোমেশ যে গল্পটি বলেছিলেন, তা শোভন নামে নিরুদ্দিষ্ট একটি ছেলের ফিরে প্রশ্ন আসার ভয়ানক ট্র্যাজিক কাহিনি।
শোভনকে কে জানত?
উত্তর: 'নিরুদ্দেশ’ গল্প অনুসারে কথকের বন্ধু সোমেশ চিনত শোভনকে।
‘পুরানো খবরের কাগজের ফাইল যদি উলটে দেখো'—পুরোনো খবরের কাগজের ফাইল উলটে দেখলে কী দেখা যাবে ?
উত্তর: সোমেশের বর্ণনানুসারে পুরোনো খবরের কাগজের ফাইল দেখলে দেখা যাবে বহু বছর আগে একটি প্রধান সংবাদপত্রের পাতায় দিনের পর দিন একটি নিরুদ্দেশের বিজ্ঞাপন বেরিয়েছিল।
শোভনের ঘরে ফেরার বিজ্ঞাপনে প্রথমে কার পক্ষ থেকে কাতর অনুরোধ আসে?
উত্তর: শোভনের ঘরে ফেরার বিজ্ঞাপনে প্রথমে মায়ের কাছ থেকে কাতর অনুরোধ আসে।
‘খবরের কাগজের পাতায় যেন মিলিয়ে যেতেও দেখা গেল'—কী মিলিয়ে যেতে দেখা গেল?
উত্তর: নিরুদ্দিষ্ট ছেলে ফিরে আসার জন্য শোভনের মায়ের কাতর অনুরোধ হতাশ দীর্ঘশ্বাসের মতো খবরের কাগজের পাতায় মিলিয়ে যেতে লাগল।
বিজ্ঞাপন কখন হাহাকার হয়ে উঠেছিল?
উত্তর: ‘নিরুদ্দেশ' গল্প অনুসারে, নিরুদ্দিষ্ট শোভনের জন্য ক্রমাগত প্রকাশিত হয়ে চলা বিজ্ঞাপন আর্তনাদ-কাতরতার স্তর পেরিয়ে ক্রমে বাবা-মায়ের হতাশার হাহাকারে পরিণত হয়েছিল।
শোভন যখন নিরুদ্দেশ হয়ে যায় তখন তার বয়স কত ছিল এবং পরিচয়চিহ্ন বলতে কী ছিল?
উত্তর: সোমেশ-বর্ণিত কাহিনি অনুসারে, শোভন যখন নিরুদ্দেশ হয়ে যায় তখন তার বয়স ছিল ষোলো-সতেরো এবং পরিচয়চিহ্ন বলতে ছিল ঘাড়ের দিকে ডান কানের কাছে একটি বড়ো জড়ুল।
বিজ্ঞাপনে শোভনের পরিচয়চিহ্ন কী দেওয়া হয়েছিল?
উত্তর: সোমেশ-বর্ণিত কাহিনি অনুযায়ী বিজ্ঞাপনে শোভনের পরিচয়চিহ্ন ছিল ঘাড়ের দিকে ডান কানের কাছে একটি বড়ো জড়ল।
শোভন কীভাবে মুক্তির স্বাদ পেয়েছিল?
উত্তর: নিরুদ্দেশ' গল্পে সোমেশ বর্ণিত কাহিনির নিরুদ্দিষ্ট ছেলে শোভন বাড়ির বাইরের হাজারো দুঃখ-অসুবিধাতেও হয়রান হয়ে পড়েনি, বরং তার মধ্যেই সে মুক্তির স্বাদ পেয়েছিল।
'উদাসীন মনও বিচলিত হয়ে উঠল'—তার মন কখন উদাসীন ও বিচলিত হয়ে উঠেছিল?
উত্তর: নিরুদ্দিষ্ট শোভনের জন্য প্রকাশিত বিজ্ঞাপন যেদিন হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায়, সেদিন থেকেই তার উদাসীন মনও বিচলিত হয়ে উঠতে শুরু করে।
শোভনের বাবার দুর্বলতা কীভাবে প্রকাশ পেয়েছিল?
উত্তর: ‘নিরুদ্দেশ’ গল্প অনুসারে, খবরের কাগজে বিজ্ঞাপন থেকেই শোভনের বাবার হৃদয়ের দুর্বলতা প্রকাশ পেয়েছিল।
শোভনের উদ্দেশ্যে শেষ বিজ্ঞাপনটি কী ছিল?
উত্তর: নিরুদ্দিষ্ট শোভনের উদ্দেশ্যে শেষ বিজ্ঞাপনটি ছিল— “শোভন, তোমার মার সাথে আর তোমার বুঝি দেখা হল না। তিনি শুধু তোমার নামই করছেন এখনো।”
কত বছর পর শোভন তার দেশে হাজির হয়?
উত্তর: সোমেশ-বর্ণিত কাহিনি অনুসারে, দুই বছর পর নিরুদ্দিষ্ট শোভন তার দেশে হাজির হয়।
বাড়ি ফিরে শোভন কী দেখেছিল?
উত্তর: ‘নিরুদ্দেশ' গল্পে সোমেশ-বর্ণিত কাহিনি অনুসারে নিরুদ্দিষ্ট শোভন বাড়ি ফিরে দেখেছিল, প্রকৃত শোভন হিসেবে তাঁকে কেউ মেনে নিতে চাইছে না।
শোভন বাড়ি ঢোকার সময় প্রথমে কার কাছে বাধা পায়?
উত্তর: নিরুদ্দিষ্ট শোভন বাড়ি ঢোকার সময় প্রথমে নায়েমশায়ের কাছে বাধা পায়।
‘দু-বছরে সেখানে কিছুকিছু পরিবর্তন হয়েছে'—সেখানে কী কী পরিবর্তন হয়েছে?
উত্তর: পুরোনো সরকারের বদলে নতুন সরকার এসেছে। এ ছাড়া সেখানে নতুন দুটি লোকও নিয়োগ করা হয়েছে। শোভনের । চোখে বাড়ি ফিরে এইসব পরিবর্তন ধরা পড়েছিল।
‘বৃদ্ধ খাজাঞ্ঝিমশাইকে দেখে সে যেন আশ্বস্ত হলো’—কে আশ্বস্ত হল এবং কেন?
উত্তর: বৃদ্ধ খাজাঞিমশাইকে দেখে নিরুদ্দিষ্ট শোভন আশ্বস্ত হয়েছিল। কারণ তার মনে হয়েছিল, তাকে অন্যরা চিনতে না পারলেও খাজাঞিমশাই নিশ্চয় চিনবেন।
শোভনের পরিচয় নিয়ে তার বাড়িতে কত জন লোক এসেছিল?
উত্তর: সোমেশ-বর্ণিত কাহিনি অনুসারে, নিরুদ্দিষ্ট শোভনের পরিচয় নিয়ে তার আগে আরও দুজন লোক এসেছিল বাড়িতে।
কতদিন আগে এবং কীভাবে শোভন মারা গেছে বলে নায়েবমশাই জানিয়েছিলেন?
উত্তর: ‘নিরুদ্দেশ' গল্পে সোমেশ-বর্ণিত কাহিনি অনুসারে, সাতদিন আগে রাস্তায় গাড়ি চাপা পড়ে নিরুদ্দিষ্ট শোভন মারা গেছে বলে নায়েবমশাই জানিয়েছেন।
‘শোভন এই অবস্থাতে না হেসে পারলে না-শোভনের হাসির কারণ কী?
উত্তর: সোমেশ-বর্ণিত কাহিনির নিরুদ্দিষ্ট শোভন দু-বছর পর বাড়ি ফিরে যখন তাদের নায়েবের কাছে নিজের মৃত্যুসংবাদ শুনল, তখন সে না হেসে পারল না।
শোভনের বাবার চেহারার সঙ্গে কীসের সাদৃশ্য দেখিয়েছেন সোমেশ?
উত্তর: 'নিরুদ্দেশ' গল্প অনুসারে, শোভনের বাবার চেহারার সঙ্গে ঝড়ে ভেঙে পড়া একটি গাছের সাদৃশ্য দেখিয়েছেন এই কাহিনির কথক সোমেশ।
‘নায়েব ও কর্মচারীরা ব্যাপারটা বুঝে যখন তার পিছু নিল'–পিছু নেওয়ার কারণ কী?
উত্তর: সোমেশের কাহিনি অনুসারে দুবছর পর শোভন বাড়ি ফিরে বাবাকে দেখে তার কাছে যাবার উপক্রম করায় নায়েব ও কর্মচারীরা তার পিছু নিয়েছিল।
‘বৃদ্ধ স্খলিতপদে এক পা এগিয়ে আবার থমকে গেলেন'–এর কারণ কী?
উত্তর: শোভন দীর্ঘ দুবছর বাদে বাড়িতে ফিরে পুত্রশোকে বিপর্যস্ত বাবার কাছে তাকে চিনতে পারছেন কি না জানতে চাইলে প্রবল ভাবাবেগে বৃদ্ধ মানুষটি এমন আচরণ করেছিলেন।
শোভনকে কোন কাজ করার কথা বলেছিলেন নায়েবমশাই?
উত্তর: ‘নিরুদ্দেশ’ গল্পে সোমেশ-বর্ণিত কাহিনি অনুসারে, জমিদারবাবুর অনুরোধে টাকার বিনিময়ে শোভনকে নিজের মায়ের কাছে তাঁর হারিয়ে যাওয়া ছেলের হয়ে অভিনয় করার কথা বলেছিলেন নায়েমশাই।
কাকে এবং কেন ছেলের মৃত্যুসংবাদ জানানো হয়নি?
উত্তর: সোমেশ-বর্ণিত কাহিনি অনুসারে, বাড়ির কর্ত্রী অসুস্থ, তাই তাঁকে ছেলের মৃত্যুসংবাদ জানানো হয়নি।
বাড়ির কর্ত্রী তথা জমিদারের স্ত্রী কেন শোভনকে দেখে নিজের ছেলে বলে মনে করবেন?
উত্তর: বাড়ির কর্ত্রী তথা বৃদ্ধা জমিদারগিন্নি শোভনকে নিজের ছেলে ভাববেন, কেননা শোভনের চেহারার সঙ্গে তার ছেলের চেহারায় অনেকটাই মিল আছে।
নায়েবমশাই নোটের তাড়াটা কার হাতে গুঁজে দিয়েছিলেন এবং কেন?
উত্তর: নায়েবমশাই শোভনের হাতে নোটের তাড়াটা গুঁজে দিয়েছিলেন কারণ অসুস্থ মাকে শোভনের মৃত্যুর কথা বলা হয়নি। আর তাকে শোভন সেজে মায়ের কাছে অভিনয়ের সাম্মানিক হিসেবে নোটের তাড়া দেওয়া হয়েছিল।
সোমেশের সঙ্গে শোভনের কি কোনো সাদৃশ্য ছিল?
উত্তর: 'নিরুদ্দেশ' গল্পে সোমেশ-বর্ণিত কাহিনির কেন্দ্রীয় চরিত্র, শোভনের সঙ্গে সাদৃশ্য বলতে উভয়েরই ডান কানের কাছে ঘাড়ের নীচে জড়ুল ছিল।
