কৌণিক দূরত্ব কাকে বলে?
পৃথিবীর যে-কোনো দুটি স্থান থেকে, পৃথিবীর কেন্দ্র পর্যন্ত সরলরেখা আঁকলে পৃথিবীর কেন্দ্রে যে কোণ তৈরি হয়, সেই কোণই হল ওই দুটি স্থানের মধ্যেকার কৌণিক দূরত্ব। কৌণিক দূরত্বের একককে ডিগ্রি, মিনিট ও সেকেন্ডে প্রকাশ করা হয়।
নিরক্ষীয় তল কী?
নিরক্ষরেখা থেকে পৃথিবীর কেন্দ্রবিন্দুর দিকে গেলে পৃথিবীর মধ্যভাগ বরাবর যে কাল্পনিক তল পাওয়া যায়, তাকে নিরক্ষীয় তল বলে | নিরক্ষীয় তল, পৃথিবীকে সমান ভাগে উত্তর এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বিভক্ত করে।
অক্ষাংশ কী?
নিরক্ষরেখার উত্তরে বা দক্ষিণে অবস্থিত কোনো স্থানের কৌণিক দূরত্বের মান হল ওই স্থানের অক্ষাংশ। যেমন— কলকাতার অক্ষাংশ 22°30` উত্তর। একই অক্ষাংশযুক্ত স্থানগুলিকে যোগ করে অক্ষরেখা অঙ্কিত হয়।
কলকাতার অক্ষাংশ 22°34' উঃ বলতে কী বোঝ?
অক্ষাংশ হল নিরক্ষীয় তলে অবস্থিত পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে কোনো স্থানের কৌণিক দূরত্ব। নিরক্ষীয় তলের উত্তরদিকের স্থানসমূহ উত্তর অক্ষাংশ এবং দক্ষিপ দিকের স্থানসমূহ দক্ষিণ অক্ষাংশ নামে পরিচিত। সুতরাং কলকাতার অক্ষাংশ 22°34′ উ: এই কথার তাৎপর্য হল কলকাতা নিরক্ষরেখার উত্তরে 22°34’ কৌণিক দূরত্বে অবস্থান করছে।
উত্তর ও দক্ষিণ অক্ষাংশ বলতে কী বোঝ?
নিরক্ষরেখার উত্তরে অবস্থিত 1° থেকে 90° উত্তর পর্যন্ত যে-কোনো অক্ষাংশকে উত্তর অক্ষাংশ বলে। তেমনি নিরক্ষরেখার দক্ষিণে অবস্থিত 1° থেকে 90° পর্যন্ত যে-কোনো অক্ষাংশ দক্ষিণ অক্ষাংশ নামে পরিচিত।
সেক্সট্যান্ট কী?
যে যন্ত্রের সাহায্যে ধ্রুবতারার উন্নতিকোপ দেখে অক্ষাংশ পরিমাপ করা যায়, তাকে সেক্সট্যান্ট বলে।
অক্ষরেখা বা সমাক্ষরেখা কী?
নিরক্ষরেখার উভয় দিকে ভূপৃষ্ঠের পূর্ব-পশ্চিমে বিস্তৃত সমান অক্ষাংশযুক্ত কাল্পনিকরেখাগুলি হল অক্ষরেখা বা সমাক্ষরেখা। ভূপৃষ্ঠের ওপর একই অক্ষাংশে অবস্থিত স্থানগুলিকে কাল্পনিকরেখার সাহায্যে যোগ করে এই বৃত্তাকাররেখা আঁকা হয়। যেমন—কর্কটক্রান্তিরেখা (23½° উত্তর) একটি অক্ষরেখা।
অক্ষরেখাগুলিকে সমাক্ষরেখা বলে কেন?
ভূপৃষ্ঠের ওপর অবস্থিত কোনো স্থান নিরক্ষীয় তলে অবস্থিত পৃথিবীর কেন্দ্রের সাথে যে কোণ উৎপন্ন করে তা হল ওই স্থানের অক্ষাংশ। সমঅক্ষাংশযুক্ত স্থানগুলিকে যোগ করলে যে রেখা পাওয়া যায় তাকে অক্ষরেখা বলা হয় | যেহেতু এদের অক্ষাংশ সমান তাই এদের সমাক্ষরেখাও বলে।
নিরক্ষরেখা কী?
সুমেরুবিন্দু ও কুমেরুবিন্দু থেকে সমান দূরত্বে পৃথিবীর মাঝবরাবর যে কাল্পনিক বৃত্তাকাররেখা পৃথিবীকে পূর্ব-পশ্চিমে বেষ্টন করে রয়েছে, তাকে নিরক্ষরেখা বলে | এর অক্ষাংশের মান 0°।
বিষুবরেখা কী?
‘বিষুব’ শব্দের অর্থ সমান রাত্রি। নিরক্ষরেখা (0°) ওপর সারাবছর সূর্যকিরণ প্রায় লম্বভাবে পড়ে বলে এখানে সারাবছর দিনরাত্রির দৈর্ঘ্য সমান (12 ঘণ্টা দিন ও 12 ঘণ্টা রাত্রি) হয়। তাই নিরক্ষরেখাকে বিষুবরেখাও বলা হয়।
সুমেরুবৃত্তরেখা ও কুমেরুবৃত্তরেখা কাকে বলে ?
66½° উত্তর অক্ষরেখাকে সুমেরুবৃত্তরেখা বলে। সুমেরুবৃত্তরেখা থেকে সুমেরুবিন্দু পর্যন্ত উত্তর হিমমণ্ডল বিস্তৃত।
66½° দক্ষিণ অক্ষরেখাকে কুমেরুবৃত্তরেখা বলে। কুমেরুবৃত্তরেখা থেকে কুমেরুবিন্দু পর্যন্ত দক্ষিণ হিমমণ্ডল বিস্তৃত।
অক্ষরেখার কী কী বৈশিষ্ট্য দেখা যায় ?
1) অক্ষরেখাগুলি প্রত্যেকটি পূর্ণবৃত্ত এবং পরস্পরের সমান্তরাল হয়। 2) অক্ষরেখাগুলি পৃথিবীকে পূর্ব-পশ্চিমে বেষ্টন করে থাকে। 3) অক্ষাংশের মান বৃদ্ধি পেলে অক্ষরেখার পরিধি হ্রাস পায়। 4) একই অক্ষরেখায় অবস্থিত বিভিন্ন স্থানের স্থানীয় সময়ের পার্থক্য দেখা যায়।
উয়ুমণ্ডলের উয়তা বেশি হয় কেন?
কর্কটক্রান্তিরেখা ও মকরক্রান্তিরেখার মধ্যবর্তী অংশটি উষ্মমণ্ডলের অন্তর্গত। এই অঞ্চল সূর্যের উত্তরায়ণ এবং দক্ষিপায়নের শেষসীমার মধ্যে অবস্থিত হওয়ায় সূর্যের আলো প্রায় লম্বভাবে পড়ে এবং সারাবছরই দিনরাত্রির দৈর্ঘ্য মোটামুটি সমান থাকে বলে এখানকার তাপমাত্রা অন্য তাপমণ্ডলগুলির থেকে বেশি হয়।
দ্রাঘিমা ও দ্রাঘিমারেখা
দ্রাঘিমা কী?
মূলমধ্যরেখার পূর্ব বা পশ্চিমে অবস্থিত কোনো স্থানের কৌপিক দূরত্বের মান হল ওই স্থানের দ্রাঘিমা | যেমন— কলকাতার দ্রাঘিমা 88°30″ পূর্ব| একই দ্রাঘিমাযুক্ত স্থানগুলিকে যোগ করে দ্রাঘিমারেখা আঁকা হয়।
দ্রাঘিমারেখা কী?
সুমেরুবিন্দু থেকে কুমেরুবিন্দু পর্যন্ত ভূপৃষ্ঠের ওপর উত্তর-দক্ষিণে বিস্তৃত অর্ধবৃত্তাকার কাল্পনিকরেখাগুলিকে বলা হয় দ্রাঘিমারেখা। ভূপৃষ্ঠের ওপর একই দ্রাঘিমায় অবস্থিত স্থানগুলিকে কাল্পনিক রেখার সাহায্যে যোগ করে এই অর্ধবৃত্তাকাররেখা আঁকা হয়। যেমন— মূলমধ্যরেখা
মূলমধ্যরেখা কী?
লন্ডনের গ্রিনিচ শহরের ওপর দিয়ে উত্তরে সুমেরু থেকে দক্ষিণে কুমেরু পর্যন্ত বিস্তৃত যে দ্রাঘিমারেখা কল্পনা করা হয়েছে, তাকে মূলমধ্যরেখা বলে। এর মান 0°। এটি 180° দ্রাঘিমার সঙ্গে মিলিতভাবে পৃথিবীকে পূর্ব ও পশ্চিম গোলার্ধে ভাগ করেছে।
দ্রাঘিমারেখার কী কী বৈশিষ্ট্য দেখা যায় ?
1) প্রত্যেকটি দ্রাঘিমারেখা অর্ধবৃত্ত। 2) সব দ্রাঘিমারেখার পরিধি সমান। 3) দ্রাঘিমারেখাগুলি পৃথিবীকে উত্তর দক্ষিণে বেষ্টন করে থাকে। 4) পরপর দুটি দ্রাঘিমার মধ্যে নিরক্ষরেখার সর্বাধিক দূরত্ব হয়, যত মেরুর দিকে যাওয়া যায় দূরত্ব কমতে থাকে ও মেরুতে পরস্পর মিশে যায়।
ভৌগোলিক জালক কী ?
ভূগোলকে অঙ্কিত অক্ষরেখা ও দ্রাঘিমারেখাগুলি পরস্পরকে সমকোণে ছেদ করলে যে জালকের সৃষ্টি হয়, তাকে ভৌগোলিক জালক বলা হয় । এর সাহায্যে কোনো স্থানের অবস্থান নির্ণয় করা যায়।
দ্রাঘিমা ও সময়ের মধ্যে সম্পর্ক কী?
দ্রাঘিমার পার্থক্যের সাহায্যে সময় নির্ণয় করা যায়। প্রতি 1° দ্রাঘিমার পার্থক্যে স্থানীয় সময়ের পার্থক্য হয় 4 মিনিট। আবার, দুটি স্থানের স্থানীয় সময়ের পার্থক্যের সাহায্যে কোনো একটি স্থানের দ্রাঘিমাও নির্ণয় করা যায়।
ক্রোনোমিটার কী?
ক্রোনোমিটার হল একটি সঠিক দোলকযুক্ত ঘড়ি, যা সবসময় গ্রিনিচ সময় নির্দেশ করে। ইংরেজ ঘড়ি প্রস্তুতকারক জন হ্যারিসন এই ঘড়ি আবিষ্কার করেন। (গ্রিক শব্দ 'khronoe' = সময়, 'meter' = যন্ত্র)
স্থানীয় সময় কী ?
কোনো একটি দ্রাঘিমারেখায় অবস্থিত কোনো স্থানে সূর্য যখন ঠিক মাথার ওপর থাকে, তখন সেখানে বেলা 12টা বা মধ্যাহ্ন হয় | এই মধ্যাহ্ন সময় অনুসারে দিনের যে অন্যান্য সময় গণনা করা হয়, তাকে সেই স্থানের স্থানীয় সময় বলে।
AM এবং PM কী ?
কোনো স্থানে রাত 12 টার পর থেকে পরদিন দুপুর 12 টার পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত সময়কাল হল Ante Meridian বা সংক্ষেপে AM এবং দুপুর 12 টার পর থেকে রাত 12 টার পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত সময়কাল হল Post Meridian বা PM।
প্রমাণ সময় কী ?
কোনো দেশ বা অঞ্চলের পূর্ব-পশ্চিম বিস্তৃতি লক্ষ করলে একাধিক দ্রাঘিমারেখা পাওয়া যায়। প্রতিটি দ্রাঘিমারেখার স্থানীয় সময় পৃথক হয় ফলে পরিবহণ, ডাক ব্যবস্থা ও অফিসের সময়-সংক্রান্ত সমস্যা দেখা দেবে। এজন্য ওই দেশ বা অঞ্চলের পূর্ব-পশ্চিম বিস্তৃতির মাঝামাঝি একটি দ্রাঘিমারেখার স্থানীয় সময়কে অনুসরণ করে সমগ্র দেশ বা অঞ্চলের সময় নির্ধারিত হয়। একেই প্রমাণ সময় (Standard time) বলা হয়। ভারতে 82°30´ পূর্ব দ্রাঘিমার সময়কে প্রমাণ সময় হিসেবে ধরা হয়।
ভারতের প্রমাণ দ্রাঘিমা কত এবং এটি কোন্ কোন্ স্থানের ওপর দিয়ে বিস্তৃত হয়েছে ?
ভারতে 82°30´ পূর্ব দ্রাঘিমা হল ভারতের প্রমাণ দ্রাঘিমা এবং এই দ্রাঘিমার সময় অনুসারে ভারতের প্রমাণ সময় নির্ণয় করা হয়। ভারতের ঠিক মাঝবরাবর এলাহাবাদ শহরের কাছে কোকনদের ওপর দিয়ে এই প্রমাণ দ্রাঘিমা বিস্তৃত হয়েছে।
ভারতীয় প্রমাণ সময় কী ?
82°30' পূর্ব দ্রাঘিমারেখাটি ভারতের ঠিক মধ্যভাগ দিয়ে বিস্তৃত। একে প্রমাণ দ্রাঘিমা হিসেবে ধরে, এর সাহায্যে ভারতীয় প্রমাণ সময় নির্ধারণ করা হয় | গ্রিনিচ ও ভারতের প্রমাণ সময়ের পার্থক্য 5 ঘণ্টা 30 মিনিট।
GMT ও IST কী?
GMT Greenwich Mean Time অর্থাৎ, গ্রিনিচের গড় সময় । এটি 0° দ্রাঘিমার স্থানীয় সময়কে নির্দেশ করে | IST হল Indian Standard Time অর্থাৎ, ভারতীয় প্রমাণ সময়। এটি ভারতের 82°30' পূর্ব দ্রাঘিমার স্থানীয় সময়কে নির্দেশ করে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রমাণ দ্রাঘিমাগুলি কী কী ?
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পূর্ব-পশ্চিমে অধিক বিস্তৃত। ফলে এই দেশের পূর্বদিকের সাথে পশ্চিমদিকের স্থানীয় সময়ের ব্যাপক পার্থক্য লক্ষ করা যায় | তাই এই দেশের মূল ভূখণ্ডে 75° পশ্চিম, 90° পশ্চিম, 105° পশ্চিম এবং 120° পশ্চিম এই চারটি দ্রাঘিমার সময়কে প্রমাণ দ্রাঘিমার সময় হিসাব করে কাজ করা হয়।
কোনো দেশ তার স্থানীয় সময়ের পরিবর্তে প্রমাণ সময়কে বেশি মান্যতা দেয় কেন?
কোনো দেশের পূর্ব-পশ্চিমে বিস্তার বেশি হলে দেশগুলিতে একাধিক স্থানীয় সময় দেখা যায় | স্থানীয় সময় অনুযায়ী কোনো দেশের রেল, ডাক, বিমান এবং অন্যান্য প্রশাসনিক কাজ চালাতে খুবই অসুবিধা হয়। এই অসুবিধা দূর করার জন্যই কোনো দেশের পূর্ব-পশ্চিমের বিস্তার দেখে এক বা একাধিক নির্দিষ্ট দ্রাঘিমারেখার স্থানীয় সময় অনুসারে ওই দেশের প্রমাণ সময় নির্ধারণ করা হয়।
মহাবৃত্ত কী?
ভূগোলকে আঁকা বা পৃথিবীপৃষ্ঠ দিয়ে কল্পিত যে বৃত্তের বৃত্তীয় তলের কেন্দ্রবিন্দু ভূগোলকের কেন্দ্রবিন্দুর সঙ্গে একই বিন্দুতে অবস্থান করে, তাকে মহাবৃত্ত বলে | মহাবৃত্তের উদাহরণ হল নিরক্ষরেখা। যে-কোনো দ্রাঘিমারেখা এবং তার বিপরীত দ্রাঘিমারেখা যোগ করলেও মহাবৃত্ত পাওয়া যায়।
আন্তর্জাতিক তারিখরেখা কী?
আন্তর্জাতিক তারিখরেখা হল এমন একটি কাল্পনিকরেখা যে রেখাটি মোটামুটিভাবে 180° দ্রাঘিমারেখা অনুসরণ করে, সুমেরু থেকে কুমেরু পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে । এই রেখাটিকে দিন ও তারিখের শুরু ও শেষ হিসেবে ধরা হয়।
আন্তর্জাতিক তারিখরেখাকে কোথায় কোথায় একটু বাঁকিয়ে দেওয়া হয়েছে?
আন্তর্জাতিক তারিখরেখা উত্তরে র্যাঙ্গাল দ্বীপের কাছে সামান্য পশ্চিমে, বেরিং প্রণালীর মধ্যে সামান্য পূর্বে, অ্যালুশিয়ান দ্বীপপুঞ্জের কাছে 7° পশ্চিমে, দক্ষিণে ফিজি, চ্যাথাম প্রভৃতি দ্বীপপুঞ্জের কাছে প্রায় 11° পূর্বে, এবং কিরিবাটি দ্বীপপুঞ্জের কাছে প্রায় 30° পূর্বদিকে বাঁকিয়ে দেওয়া হয়েছে।
প্রতিপাদ স্থান কী ?
ভূগোলকের যে-কোনো ব্যাসের দুই প্রান্তবিন্দুর একটি, অপরটির প্রতিপাদ স্থান | যেমন—কলকাতার (22°30´ উ: 88°30´ পূর্ব) প্রতিপাদ স্থান হল 22°30´ দক্ষিণ ও 91°30´ পশ্চিম।
প্রতিপাদ স্থান সবসময় বিপরীত গোলার্ধে অবস্থিত হয় কেন?
ভূপৃষ্ঠের কোনো স্থানের প্রতিপাদ স্থান হল তার ঠিক বিপরীতে অবস্থিত একটি স্থান | অর্থাৎ কোনো স্থান এবং তার প্রতিপাদ স্থান পরস্পরের বিপরীত দিকে থাকে| অক্ষাংশগত মান একই থাকলেও বিপরীত বিন্দু হওয়ার জন্য বিপরীত গোলার্ধে অবস্থান করে। আবার, দ্রাঘিমার ক্ষেত্রে 180° পার্থক্য হয় বলে ও বিপরীত গোলার্ধে অবস্থান করে। কেবলমাত্র কোনো স্থান যদি নিরক্ষরেখায় অবস্থিত হয় তবে তার প্রতিপাদ স্থানও নিরক্ষরেখায় অবস্থিত হবে।
কোনো স্থান এবং তার প্রতিপাদ স্থানের মধ্যে সময়ের ব্যবধান কত ?
কোনো স্থান এবং তার প্রতিপাদ স্থানের মধ্যে দ্রাঘিমার পার্থক্য 180° | 1° দ্রাঘিমার পার্থক্যে সময়ের ব্যবধান 4 মিনিট হলে কোনো স্থান এবং তার প্রতিপাদ স্থানের মধ্যে সময়ের ব্যবধান হবে 12 ঘণ্টা (180 × 4 = 720 মিনিট বা 12 ঘণ্টা)।
