পশ্চিমবঙ্গে কী কী প্রশাসনিক বিভাগ রয়েছে?
পশ্চিমবঙ্গে পাঁচটি প্রশাসনিক বিভাগ রয়েছে । এগুলি হল— প্রেসিডেন্সি বিভাগ, বর্ধমান বিভাগ, জলপাইগুড়ি বিভাগ, মেদিনীপুর বিভাগ ও মালদহ বিভাগ।
পশ্চিমবঙ্গের মহকুমা ও ব্লক প্রশাসন সম্পর্কে লেখো।
প্রশাসনিক কাজকর্মকে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য পশ্চিমবঙ্গকে 23টি জেলায় ভাগ করা হয়েছে। প্রতিটি জেলাকে আবার মহকুমা স্তরে ভাগ করা হয়েছে। মহকুমার প্রশাসনিক দায়িত্বে থাকেন মহকুমা শাসক। মহকুমাগুলিকে আবার ব্লক স্তরে ভাগ করা হয়েছে ব্লকের প্রশাসনিক দায়িত্বে থাকেন ব্লক উন্নয়ন আধিকারিক। তিনি মহকুমা শাসকের অধীনে কাজ করেন।
ভূপ্রকৃতিগত দিক থেকে পশ্চিমবঙ্গের প্রধান ভাগগুলি কী কী?
ভূপ্রকৃতিগত দিক থেকে পশ্চিমবঙ্গের প্রধান ভাগগুলি হল—উত্তরের পার্বত্য অঞ্চল, পশ্চিমের মালভূমি অঞ্চল ও সমভূমি অঞ্চল।
মহানন্দা করিডর কী?
উত্তরবঙ্গ সমভূমি জলপাইগুড়ি জেলার দক্ষিণভাগ, কোচবিহার জেলার দক্ষিণাংশ, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদহ জেলা নিয়ে গড়ে উঠেছে | উত্তর দিনাজপুর জেলার মূল অংশটি ‘মহানন্দা করিডর' নামে পরিচিত। এটি মহানন্দা নদীর পার্বত্য অংশ। এই করিডরটি জলপাইগুড়ি এবং কোচবিহার সমভূমিকে মালদার সঙ্গে সংযুক্ত করেছে।
তাল কী?
কোচবিহার এবং জলপাইগুড়ি জেলার দক্ষিণাংশে, মালদহ জেলার পশ্চিমাংশে বিক্ষিপ্তভাবে থাকা জলাভূমি বা নিম্নভূমিকে স্থানীয় ভাষায় তাল বলে | এগুলি কালিন্দী নদীর উত্তরের অংশে দেখা যায়।
ভাবর কী ?
হিমালয় থেকে নেমে আসা ছোটো ছোটো নদীর দ্বারা বয়ে আনা পলি, বালি, নুড়ি ও পাথর জমে হিমালয়ের পাদদেশীয় অঞ্চলে মৃদুচালযুক্ত ভূমিভাগ গঠিত হয়েছে। উত্তরবঙ্গের এই সমভূমিকে তরাই বলে। তরাই অঞ্চলের বনভূমি পরিপূর্ণ পাথুরে অঞ্চলটি ভাবর নামে পরিচিত।
বরেন্দ্রভূমি কী ?
মালদহ ও দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার পূর্বাংশে মৃদু ঢেউখেলানো ল্যাটেরাইট ও প্রাচীন পলিয়াটি সমৃদ্ধ উঁচু ভূমিভাগ বরেন্দ্রভূমি নামে পরিচিত।
দিয়ারা কী ?
মালদহ জেলার দক্ষিগাংশে গঙ্গানদীর তীরবর্তী নবীন পলিগঠিত উর্বর ভূমিভাগ দিয়ারা নামে পরিচিত।
বাগরি অল ?
মুর্শিদাবাদ ও নদিয়া জেলার অন্তর্গত যে সমভূমি অঞ্চলে গঙ্গা ও ভাগীরথী নদীর ক্রমাগত পলি সঞ্চয়ের কাজ প্রায় শেষ হয়ে গেছে, তাকে বাগরি অঞ্চল বলে। এর অপর নাম মৃতপ্রায় বদ্বীপ অঞ্চল।
রাঢ় সমভূমি কোথায় অবস্থিত?
পশ্চিমে মালভূমি অঞ্চল ও পূর্বে ভাগীরথী ক্লুগলি নদীর মধ্যবর্তী অঞ্চলটির নাম রাঢ় সমভূমি | বাঁকুড়া জেলার পূর্বাংশ, পশ্চিম বর্ধমান জেলার পূর্বাংশ, বীরভূম জেলার উত্তর ও পূর্বাংশ, সমগ্র পূর্ব বর্ধমান, পূর্ব মেদিনীপুর, হাওড়া ও চুগলি জেলা, এবং মুরশিদাবাদ জেলার পশ্চিমাংশ রাঢ় সমভূমির অন্তর্গত।
সক্রিয় বদ্বীপ পশ্চিমবঙ্গের কোথায় দেখা যায়?
পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিপ 24 পরগনা জেলার দক্ষিণে ও পূর্বাংশে এবং উত্তর 24 পরগনা জেলার দক্ষিণ দিকে সক্রিয় বদ্বীপ দেখা যায়। এই অংশে নদীগুলি দ্বারা বদ্বীপ গঠনের কাজ এখনও চলছে।
বাদা ও আবাদ বলতে কী বোঝো ?
পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ও দক্ষিপ 24 পরগনার সুন্দরবন অঞ্চলের যে সকল স্থানে ম্যানগ্রোভ বনভূমি দেখা যায়, সেগুলিকে বাদা বা বাদাবন বলে। অন্যদিকে বনভূমির পার্শ্ববর্তী স্থানে পলিময় এবং চাষযোগ্য ভূমিভাগকে আবাদ বলা হয়।
তিস্তাকে 'ত্রাসের নদী' বলে কেন?
তিস্তা উত্তরবঙ্গের প্রধান নদী। পার্বত্য অঞ্চলে তিস্তা নদী অত্যন্ত খরস্রোতা। কিন্তু যখনই সমভূমিতে পড়ে তখনই নদীর গতিবেগ কমে যায়। বর্ষাকালে দার্জিলিং পার্বত্য অঞ্চলে প্রবল বৃষ্টির কারণে তিস্তার জলপ্রবাহ বেড়ে গেলে সমভূমি অঞ্চলে বন্যার সৃষ্টি হয়। এতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। সেকারণে তিস্তাকে 'ত্রাসের নদী' বলে।
ভাগীরথী-হুগলি নদীকে ‘পশ্চিমবঙ্গের জীবনরেখা’ বলে কেন?
ভাগীরথী-হুগলি নদী পশ্চিবঙ্গের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নদী। এই নদীর দুপাড়ে অসংখ্য উপনদী এসে পড়েছে। ফলে দক্ষিগবঙ্গে বিরাট বদ্বীপ এবং পলি সমভূমি তৈরি হয়েছে, যা কৃষি উৎপাদনের অনুকূল। হুগলি নদীর দুপাড়ে গড়ে ওঠা হুগলি শিল্পাঞ্চলের জন্য জল সরবরাহ, পরিবহণের মাধ্যম হিসেবে, পানীয় জলের জোগান ও অন্যান্য বিষয়ে হুগলি নদীর ভূমিকা অপরিসীম | তাই একে ‘পশ্চিমবঙ্গের জীবনরেখা' বলে।
ভৌমজল কী?
ভৌমজল শব্দের অর্থ 'ভূগর্ভস্থ জল'। বৃষ্টিপাতের পর সেই জল যখন মৃত্তিকার স্তর ভেদ করে ভূগর্ভে সঞ্চিত হয়, তখন তাকে ভৌমজল বলে।
ভূপৃষ্ঠস্থ জলের অধিক ব্যবহারের দুটি কুফল লেখো।
ভূপৃষ্ঠস্থ জলের অধিক ব্যবহারের দুটি কুফল হল—
1) কলকারখানা থেকে জলদূষণ— রং, চামড়া কারখানা, কাগজের মণ্ড তৈরির কারখানা প্রভৃতি থেকে নির্গত বর্জ্য নদীতে সরাসরি মেশার ফলে নদীর জল দূষিত হয়।
2) রাসায়নিক দ্রব্যের মিশ্রণ— নদনদীর জলে সাবান মেখে স্নান, জামাকাপড় কাচা, বাসনধোয়া প্রভৃতি কাজের জন্য জলে রাসায়নিক পদার্থের মিশ্রগ ঘটে। এতে জল দূষিত হয়ে ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে ওঠে।
খোয়াই ক্ষয় কী?
পশ্চিমবঙ্গে বীরভূম জেলার শান্তিনিকেতনের নিকট নালি ক্ষয়, প্রণালী ক্ষয়ের, চাদর ক্ষয় এবং র্যাভাইন ক্ষয়ের ফলে ওই অঞ্চলের লালমাটি ক্ষয় হয়েই চলেছে এবং ভূমিভাগ ক্ষয়ের ফলে উচ্চতা হ্রাস পাচ্ছে। একেই খোয়াই ক্ষয় বলা হয়।
ম্যানগ্রোভ অরণ্যের বৈশিষ্ট্য লেখো।
ম্যানগ্রোভ অরণ্যের বৈশিষ্ট্যগুলি হল— 1) জোয়ারভাটার কারণে গাছগুলি যাতে পড়ে না যায়, তাই এদের ঠেসমূল দেখা যায়। 2) মাটি লবণাক্ত বলে শ্বাসকার্য চালানোর জন্য শ্বাসমূল থাকে। 3) উদ্ভিদসমূহ জরায়ুজ অঙ্কুরোদ্গম পদ্ধতিতে বংশবিস্তার করে। 4) গাছগুলি চিরসবুজ হয়।
পশ্চিমবঙ্গের কৃষিকার্যের প্রধান দুটি বৈশিষ্ট্য কী কী?
পশ্চিমবঙ্গের কৃষিকার্যের প্রধান দুটি বৈশিষ্ট্য হল – 1) কৃষিকাজ মৌসুমি বৃষ্টিপাতের ওপর নির্ভরশীল এবং 2) পশ্চিমবঙ্গে প্রধানত শ্রম-নিবিড় কৃষিকার্য দেখা যায়।
ঋতু অনুসারে পশ্চিমবঙ্গের কৃষিজ ফসলকে কটি ও কী কী ভাগে ডাগ করা যায়?
ঋতু অনুসারে পশ্চিমবঙ্গের কৃষিজ ফসলকে 2 টি ভাগে ভাগ করা যায়, যেমন—শীতকালীন রবিশস্য (যেমন—গম, আলু) এবং বর্ষাকালীন খরিফ শস্য (যেমন—ধান, পাট)।
পশ্চিমবঙ্গে উৎপাদিত ধানকে ঋতুর ভিত্তিতে কী কী ভাগে ভাগ করা যায়?
ঋতুবৈচিত্র্য অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গের ধানকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা— আমন ধান (জুলাই-নভেম্বর), আউস ধান (এপ্রিল- আগস্ট) এবং বোরো ধান (নভেম্বর-মার্চ)।
পশ্চিমবঙ্গের কোন্ কোন্ জেলায় ধান চাষ ভালো হয়?
পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, নদিয়া, মুরশিদাবাদ, হুগলি, উত্তর ও দক্ষিণ 24 পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর প্রভৃতি জেলায় ধান চাষ ভালো হয়।
কতকগুলি উচ্চফলনশীল পাট বীজের নাম লেখো।
।কতকগুলি উচ্চফনলশীল পাট বীজের নাম হল— চৈতালি, বাসুদেব, সবুজসোনা, D-154, JRC - 1108 ইত্যাদি |
পাটের ব্যবহার লেখো।
পাট একটি উল্লেখযোগ্য তন্তু ফসল। এর প্রধান ব্যবহার হল— 1) পাট থেকে সুতলি, দড়ি ইত্যাদি তৈরি হয়। 2) পাট থেকে কাপড় এবং অন্যান্য পোশাক তৈরি হয়। 3) পাট থেকে চট্ট, ব্যাগ, থলে, বস্তা প্রস্তুত হয়। 4) পাট থেকে পুতুল, ঘর সাজানোর বিভিন্ন শৌখিন দ্রব্য প্রস্তুত হয়। 5) পাট দ্বারা পাপোশ, গালিচা, জানালা-দরজার খসখস ইত্যাদিও তৈরি করা হয়।
পশ্চিমবঙ্গের কোথায় চা চাষ ভালো হয় ?
পশ্চিমবঙ্গের দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ার জেলার উত্তরাংশ, উত্তর দিনাজপুর জেলার কিছু অংশে চা চাষ ভালো হয়।
দার্জিলিং পার্বত্য অঞ্চলের কতকগুলি চা উৎপাদক অঞ্চলের নাম লেখো।
দার্জিলিং পার্বত্য অঞ্চলের চা উৎপাদক অঞ্চলগুলির নাম হল- হ্যাপিভ্যালি, সুকিয়াপোখরি, কার্সিয়াং, মকাইবাড়ি, বিজনবাড়ি ইত্যাদি।
ডুয়ার্স ও তরাই অঞ্চলের কতকগুলি চা উৎপাদক অঞ্চলের নাম লেখো।
ডুয়ার্স ও তরাই অঞ্চলে চা উৎপাদক অঞ্চলগুলির নাম হল-মাল, জয়ন্তি; চালসা, নাগরাকাটা, মাদারিহাট, কুমারগ্রাম ইত্যাদি।
পশ্চিমবঙ্গের কোথায় এবং কবে প্রথম পাটকল গড়ে ওঠে ?
1855 সালে পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলার রিষড়ায় প্রথম পাটকল গড়ে ওঠে।
পশ্চিমবঙ্গের কোথায় এবং করে প্রথম কাপড়ের কল স্থাপিত হয় ?
1818 সালে পশ্চিমবঙ্গের হাওড়ার ঘুসুড়িতে প্রথম কাপড়ের কল স্থাপিত হয়।
খাদ্যপ্রক্রিয়াকরণ শিল্প কী?
বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্য বিশেষত যেগুলি পচনশীল বা যেগুলি বেশি দিন সরাসরি ব্যবহার করা যায় না, সেগুলিকে প্যাকেটজাত বা বায়ুনিরুদ্ধ বা সংরক্ষণ করে বাজারে দীর্ঘসময় বিক্রয় করা যায় যে শিল্পের মাধ্যমে তাকে খাদ্যপ্রক্রিয়াকরণ শিল্প বলা হয়। যেমন—ফ্রুট জুস, জ্যাম, জেলি, আচার, চিপস প্রস্তুতকারক শিল্প।
পশ্চিমবঙ্গে খাদ্যপ্রক্রিয়াকরণ শিল্পে যুক্ত কতকগুলি প্রধান প্রধান কোম্পানির নাম লেখো।
পশ্চিমবঙ্গে খাদ্যপ্রক্রিয়াকরণ শিল্পে যুক্ত কতকগুলি প্রধান প্রধান কোম্পানির নাম হল—মাদার ডেয়ারি, হলদিরামস, আনমোল বিস্কুট লিমিটেড, রাজা বিস্কুট, কে সি দাস এন্ড সন্স প্রভৃতি।
তথ্যপ্রযুক্তি কী?
কম্পিউটার এবং টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা তথা ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ, সৃষ্টি, মজুতকরণ, ব্যবহার ও আদান-প্রদান প্রভৃতির একত্রিকরণ।করাকে বলা হয় তথ্যপ্রযুক্তি
আউউসোর্সিং কী?
উৎপাদিত দ্রব্যের মানোন্নয়ন, দক্ষতা বৃদ্ধি, ব্যয় সংকোচন, দ্রুত উৎপাদন ইত্যাদি করার জন্য কোনো একটি সংস্থা যখন বাইরের (বিদেশের) অন্য কোনো সংস্থা বা কোম্পানির মাধ্যমে কাজ করিয়ে নেয়, তখন তাকে আউটসোর্সিং বলে।
শহর কী? অথবা, আদমশুমারি অনুযায়ী শহরের সংজ্ঞা দাও।
আদমশুমারি অনুযায়ী যে অঞ্চলের মোট জনসংখ্যা কমপক্ষে 5000 জন, জনঘনত্ব প্রতি বর্গকিমিতে 400 জনের বেশি এবং শতকরা 75 জন কৃষি ছাড়া অন্য পেশায় নিযুক্ত সেই অঞ্চলটিকে শহর বলে | যেমন—দুর্গাপুর।
মহানগর কী?
ইংরেজি ‘মেগা’ (mega) শব্দটির উৎপত্তি গ্রিক শব্দ মেগাস (megas) থেকে, যার অর্থ বৃহৎ | সুতরাং, আক্ষরিক অর্থে মহানগর বলতে বড়ো শহরকে বোঝায়। জনসংখ্যার বিচারে বলা যায়, কোনো শহরের মোট জনসংখ্যা 10 মিলিয়নের বেশি হলে তাকে মহানগর বলে। যেমন— কলকাতা।
কলকাতা শহরের কতকগুলি দর্শনীয় স্থানের নাম লেখো।
কলকাতা শহরের দর্শনীয় স্থানগুলির নাম হল—জাদুঘর, চিড়িয়াখানা, ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল হল, বিড়লা তারামণ্ডল, সায়েন্স সিটি প্রভৃতি।
পশ্চিমবঙ্গের দিঘা উপকূল কী কারণে বিখ্যাত ?
পশ্চিমবঙ্গের দীঘাতে সমুদ্রসৈকতের উপস্থিতির জন্য বিখ্যাত পর্যটনকেন্দ্র গড়ে উঠেছে।
কত সালে এবং কে কলকাতা শহরের গোড়াপত্তন করেন?
1690 সালে ইংরেজ বগিক জব চার্নক কলকাতা শহরের গোড়াপত্তন করেন। তখন সুতানুটি, গোবিন্দপুর ও কলকাতা—এই তিনটি গ্রাম নিয়ে কলকাতা শহর গঠিত হয়েছিল।
