সালােকসংশ্লেষ-এর দশাগুলি কী কী?
সালােকসংশ্লেষের দুটি দশা হল -
1. আলােক-নির্ভর দশা (light dependent phase) বা আলােক দশা (light phase) এবং 2. আলােক নিরপেক্ষ দশা (light independent phase) বা অন্ধকার দশা (dark phase) |
সালােকসংশ্লেষের আলােক দশায় বা আলােক বিক্রিয়ায় ব্যবহৃত উপাদান ও উপজাত বস্তুর নাম বলাে।
ব্যবহৃত উপাদান: সূর্যালােক (জল), ক্লোরােফিল ।
উপজাত বস্তু: ATP (অ্যাডিনােসিন ট্রাইফসফেট), অক্সিজেন। NADPH (বিজারিত নিকোটিনামাইড অ্যাডিনিন ডাইনিউক্লিওটাইড ফসফেট)।
কোয়ান্টাজোম কী ? এর গুরুত্ব কী?
কোয়ান্টাজোম : ক্লোরােপ্লাস্টের থাইলাকয়েড পর্দায় ক্লোরােফিল ও অন্যান্য সালােকসংশ্লেষীয় রঙ্গকপূর্ণ অসংখ্য কথা থাকে। এগুলিকে কোয়ান্টাজোম বলে।
গুরুত্ব : সালােকসংশ্লেষের সময় আলােকশােষপ করে বিক্রিয়াটি সালন করা কোয়ান্টাজোম-এর কাজ |
ফোটোলাইসিস কাকে বলে ? এর বিক্রিয়াগুলির সমীকরণসহ ব্যাখ্যা করাে। অথবা, সালােকসংশ্লেষ প্রক্রিয়ায় উপজাত বস্তু হিসেবে অক্সিজেন কীভাবে উৎপন্ন হয়? অথবা, ফোটোলাইসিস বা হিল বিক্রিয়া কাকে বলে?
ফোটোলাইসিস: সালােকসংশ্লেষের আলোক দশায় সক্রিয় ক্লোরােফিল রঙ্গকের প্রভাবে কোশের ভিতরের জল বিশ্লেষিত হয়ে অক্সিজেন মুক্ত হয়, একে বলে ফোটোলাইসিস | 1940 খ্রিস্টাব্দে বিজ্ঞানী রবিন হিল সর্বপ্রথম এই ঘটনাটি পর্যবেক্ষণ করেন বলে এটি হিল বিক্রিয়া (Hill reaction) নামেও পরিচিত।
ফোটোলাইসিস প্রক্রিয়ায় 12 অণু জলের আলােক বিশ্লেষণে প্রাপ্ত হয় H+ থেকে কত অণু NADP বিজারিত হবে?
ফোটোলাইসিস প্রক্রিয়ায় 12 অপু জলের আলােক বিশ্লেষণে প্রাপ্ত H+ থেকে 6 অপু NADP বিজারিত হবে।
6NADP + 12H+ ------> 6NADPH + H+
হিল বিকারক বলতে কী বােঝ ? এর উদাহরণ দাও।
হিল বিকারক: যে সকল যৌগ ইলেকট্রন গ্রাহক বা হাইড্রোজেন গ্রাহকরূপে কাজ করে হিল বিক্রিয়ায় উৎপন্ন H এর সাথে যুক্ত হয়, তাদের হিল বিকারক বলে।
উদাহরণ : NADP, ফেরিক অক্সালেট, ফেরিক সায়ানাইড।
একটি প্রাকৃতিক এবং একটি কৃত্রিম হিল বিকারকের উদাহরণ দাও।
একটি প্রাকৃতিক হিল বিকারক হল NADP এবং একটি কৃত্রিম হিল বিকারক হল পটাশিয়াম ফেরিক অক্সালেট।
হিল বিক্রিয়ার গুরুত্ব কী?
হিল বিক্রিয়ার গুরুত্বগুলি হল— 1. এই বিক্রিয়ার সময় হিল বিকারক ইলেকট্রন গ্রহণ করে জলের বিশ্লেষণে সাহায্য করে। 2. সালােকসংশ্লেষে জল থেকে নির্গত অক্সিজেনও হিল বিক্রিয়াতেই উৎপন্ন হয়।
আবর্তাকার আলােকফসফোরীভবন কাকে বলে?
যে প্রক্রিয়ায় ক্লোরােফিল থেকে নির্গত ইলেকট্রন বিভিন্ন বাহকের মাধ্যমে চাকারে আবর্তিত হয়ে আবার ওই ক্লোরােফিল অণুতেই ফিরে আসে এবং এই চক্রাকার পথে ATP সংশ্লেষিত হয়, তাকে আবর্তাকার আলােক-ফসফোরীভবন (cyclic photophosphorylation) বলে। এই প্রক্রিয়ায় ফোটোলাইসিস ঘটে না, ফলে মুক্ত অক্সিজেন নির্গত হয় না।
অনাবর্তাকার আলােকফসফোরীভবন কাকে বলে?
যে প্রক্রিয়ায় ক্লোরােফিল থেকে নির্গত ইলেকট্রন NADP-কে বিজারিত করে এবং ওই ক্লোরােফিল অপর ক্লোরােফিল অধু থেকে ইলেকট্রন গ্রহণ করে সম্পূর্ণতা ফিরে পায় এবং পথে ATP সংশ্লেষিত হয়, তাকে অনাবর্তাকার আলােকফসফোরীভবন (non-cyclic photophosphorylation) বলে। এই প্রক্রিয়ায় ফোটোলাইসিস ঘটে, ফলে মুক্ত অক্সিজেন নির্গত হয়।
এনার্জি কারেন্সি কী? সালােকসংশ্লেষের সময়ে কীভাবে এটি তৈরি হয়?
এনার্জি কারেন্সি: জীবকোশের অ্যাডিনােসিন ট্রাইফসফেট (ATP)- কে এনার্জি কারেন্সি বলা হয়।
এনার্জি কারেন্সির উৎপাদন: সালােকসংশ্লেষের আলােক দশায় ফোটোফসফোরাইলেশন পদ্ধতিতে ATP তৈরি হয়।
ATP-কে এনার্জি কারেন্সি বা শক্তি আদান-প্রদানকারী মুদ্রা কেন বলে?
ATP-এর মধ্যে বিপাকজাত শক্তি সঞ্ছিত থাকে যা প্রয়ােজন অনুসারে জীবকোশ ব্যবহার করে থাকে। এভাবে শক্তি আদান-প্রদান করার জন্য ATP-কে এনার্জি কারেন্সি বলে।
Z স্কিম কাকে বলে ?
সালােকসংশ্লেষের আলােক দশার জারণ-বিজারণ বিক্রিয়াগুলি 'Z' আকৃতির রেখাচিত্রের সাহায্যে প্রকাশ করা হয়। তাই একে 'Z' স্কিম বলে |
সালােকসংশ্লেষের আলােক দশার গুরুত্বগুলি উল্লেখ করাে।
সালােকসংশ্লেষের আলােক দশার গুরত্বন্নলি হল
1. এই দশায় ফোটোফসফোরাইলেশান প্রক্রিয়ায় সৌরশক্তি রাসায়নিক শক্তিরূপে ATP-তে আবদ্ধ হয়।
2. আলােক দশায় উৎপন্ন ATP ও NADPH2, অন্ধকার দশার বিক্রিয়ায় ব্যবহৃত হয়।
3. আলােক দশার ফোটোলাইসিস বিক্রিয়ায় জল বিয়ােজিত হয়ে অক্সিজেন নির্গত হয়। এই অক্সিজেন পরিবেশে ফিরে আসে ও জীবকুলের শ্বসনের কাজে লাগে।
কেলভিন চক্র কী?
সালােকসংশ্লেষের আলােক নিরপেক্ষ দশায় যে পদ্ধতিতে ফসফোক্লিসার্যালডিহাইড থেকে রাইবিউলােজ বিসফসফেট (RuBP) পুনঃসংশ্লেষিত হয়, তাকে কেলভিন চক্র (Calvin cycle) বলে। বিজ্ঞানী মেলভিন কেলভিন প্রথম এই পদ্ধতি লক্ষ করেন বলে তার নাম অনুসারে এই পদ্ধতির এরূপ নামকরণ করা হয়েছে।
ব্ল্যাকম্যান বিক্রিয়া কী?
সালোকসংশ্লেষ প্রক্রিয়াটি দুটি দশায় বিভক্ত আলোক দশা ও আলােক নিরপেক্ষ দশা (অন্ধকার দশা)। অন্ধকার দশার বিক্রিয়াগুলি সর্বপ্রথম বিজ্ঞানী ব্ল্যাকম্যান পর্যবেক্ষণ করেন। তার নামানুসারে একে ব্ল্যাকম্যান বিক্রিয়া বলে।
আলােক নিরপেক্ষ দশায় আলাের দরকার হয় না, তা সত্ত্বেও এটি রাতে ঘটে না কেন?
আলােক নিরপেক্ষ দশায় আলাের প্রয়ােজন হয় না, কিন্তু এই দশায়, আলােক দশা-তে উৎপন্ন ATP ও NADPH + H+ ব্যবহূত হয়। এইজন্য আলোেক নিরপেক্ষ দশা রাত্রিবেলায় সংঘটিত হয় না।
সালােকসংশ্লেষের আলােক নিরপেক্ষ বিক্রিয়ায় বা ব্ল্যাকম্যান দশায় কোন কোন্ উপাদান ব্যবহৃত হয় ও কী কী উৎপন্ন হয় ?
ব্যবহৃত উপাদান: কার্বনডাই অক্সাইড, ATP, NADPH + H+, RuBP।
উপজাত বস্তু : গ্লুকোজ
অঙ্গার আত্তীকরণ কাকে বলে ?
আলাের উপস্থিতি বা অনুপস্থিতিতে পরিবেশের অজৈব কার্বনের কোন জৈব যৌগে অঙ্গীভূত হওয়ার প্রক্রিয়াকে অঙ্গর আত্তীকরণ (carbon assimilation) বলে। যেমন—সালােকসংশ্লেষের আলােক নিরপেক্ষ দশায়, কোশস্থ 5 কার্বনযুক্ত শর্করা যৌগ RuBP (রাইবিউলােজ বিসফসফেট), গ্রাহকরূপে পরিবেশের কার্বন ডাইঅক্সাইডের সঙ্গে যুক্ত হয়ে, 3 কার্বনযুক্ত স্থায়ী যৌগ PGA (ফসফোগ্লিসারিক অ্যাসিড) তৈরি করে।
সালােকসংশ্লেষকে অঙ্গার আত্তীকরণ কেন বলে?
সালােকসংশ্লেষের আলোক নিরপেক্ষ দশায় বিক্রিয়াগুলি ক্লোরােপ্লাস্টের স্ট্রোমায় ঘটে থাকে। এক্ষেত্রে বায়ুমণ্ডলের অজৈব কার্বন ডাইঅক্সাইড পরন্ত্রের মাধ্যমে পাতার ভিতরে প্রবেশ করে এবং মেসােফিল কলার ভিতর কোশথ 5 কার্বনযুক্ত শর্করা যৌগ রাইবিউলেজ বিসফসফেট (RuBP) এর সঙ্গে বিক্রিয়া করে 3 কার্বনযুক্ত স্থায়ী জৈব যৌগ ফসফোগ্লিসারিক অ্যাসিড (PGA) উৎপন্ন করে। এই ভাবে পরিবেশের CO, থেকে কার্বনের জীবকোশে অঙ্গীভূত হওয়ার পদ্ধতিকে অঙ্গর আত্তীকরণ বলে। অর্থাৎ, সালোকসংশ্লেষ প্রক্রিয়ায় কার্বন পাতার কোশে অঙ্গীভূত হয়, তাই সালােকসংশ্লেষকে অঙ্গার আত্তীকরণ বলে।
সালােকসংশ্লেষের আলােক নিরপেক্ষ দশায় গুরুত্বগুলি উল্লেখ করাে।
সালোকসংশ্লেষের আলােক নিরপেক্ষ দশার গুরুত্বগুলি হল- 1. আলােক নিরপেক্ষ দশায় কার্বনডাই অক্সাইড এর কার্বনের আত্তীকরণ ঘটে এবং গ্লুকোজজাতীয় খাদ্য উৎপন্ন হয়। এই খাদ্যই প্রত্যক্ষ বা পরােক্ষভাবে সমগ্র প্রাণীজগতের খাদ্য তথা শক্তির উৎস। 2. জীবজগতের শ্বসনের ফলে পরিবেশে যে কার্বনডাই অক্সাইড গ্যাস নির্গত হয়, তা আলােক নিরপেক্ষ দশায় ব্যবহৃত হয়। এর ফলে পরিবেশে কার্বনডাই অক্সাইড গ্যাসের ভারসাম্য বজায় থাকে।
কোন রাসায়নিক বস্তুরূপে সৌরশক্তি উদ্ভিদের সঞ্চয়ী অঙ্গে সঞ্চিত হয়? উদ্ভিদকোশের কোথায় এই সঞ্চয় হয়?
সৌরশক্তির সঞ্চিত রূপ: সালােকসংশ্লেষ প্রক্রিয়ায় সৌরশক্তি রাসায়নিক শক্তিরূপে গ্লুকোজে আবদ্ধ হয় ও উদ্ভিদের সম্ভয়ীঅঙ্গে স্বেতসাররূপে সঞ্চিত হয়।
সঞ্চয়ের স্থান: উদ্ভিদকোশে অ্যামাইলােপ্লাস্ট নামক যে লিউকোপ্লাস্টিড থাকে, তার মধ্যে এই শ্বেতসার সঞ্ছিত হয়।
সালােকসংশ্লেষে উৎপন্ন গ্লুকোজ কীরূপে এবং কোথায় সঞ্চিত হয় ?
সঞ্চয় পদ্ধতি: সালােকসংশ্লেষে উৎপন্ন ব্লুকোজ, জল বিয়ােজনের মাধ্যমে অদ্রবণীয় স্টার্চ বা শ্বেতসারে পরিণত হয়।
সঞয় স্থান: উৎপন্ন শ্বেতসার উদ্ভিদের বিভিন্ন সয়ী অঙ্গে সঞ্চিত হয়। যেমন মূল (মুলো), মৃত কান্ড (আলু, আদা), বীজপত্র (মটর), সস্য (ধান, গম), ফল (আম) ইত্যাদি।
সবুজ উদ্ভিদের ক্ষেত্রে 'সৌরশক্তির আবকরণ এবং তার শৈহিদ শক্তিতে রূপান্তর’ বলতে কী বােঝ? অথবা, সালােকসংশ্লেষ কীভাবে সৌরশক্তিকে খাদ্য শৈতি শক্তিতে পরিণত করে?
পৃথিবীতে সকল শক্তির টান সেই হয় সৌরশক্তি। সালোকসংশ্লেষের আলােক দশায় সবুজ উদ্ভিদের ক্লোরােফিল, সূর্যালোকের ফোটন কণা শোষণ করে বিভিন্ন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ATP তে সৌরশক্তিকে রাসায়নিক পঞ্জি হিসেবে সাময়িকভাবে আক রাখে। একেই বলা হয় সৌরশক্তির আব্থকরণ। রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত এই সৌরশক্তি পরে সালােকসংশ্লেষে উৎপন্ন গ্লুকোজের মধ্যে স্ৈতিক ব্যক্তি হিসেবে সঞ্চিত হয়। একে বলে সৌরপত্তির স্থৈতিক পক্তিতে রূপান্তরীকরণ। এটি সালােকসংশ্লেষের আলােক নিরপেক্ষ দশায় ঘটে থাকে। এই ভাবেই সালােকসংশ্লেষের আলােচিত দুই ধাপে সৌরশক্তি খাদ্য খৈতিক শক্তিতে পরিণত হয়।
সালােকসংশ্লেষে উৎপন্ন গ্লুকোজের পরিণতি কী হয়?
সালােকসংশ্লেষ প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন খুকোজের পরিপতি নিযনূপ
1. শ্বেতসারের রূপান্তর: সালোকসংশ্লেষে দিনের বেলায় উৎপন্ন মুকোজ, জল বিয়ােজনের ফলে অদ্রবণীয় স্টার্চ বা গেতসারে রূপান্তরিত হয়। মেসােফিল কলায় সঞ্চিত এই শ্বেতসারকে অঙ্গীভূত শ্বেতসার (assimilated starch) বা সংশ্লেষী শ্বেতসার বলে।
2. তরল গ্লুকোজে রূপান্তর ও ব্যবহার: রাতে যখন সালােকসংশ্লেষ সংঘটিত হয় না, তখন ডায়াস্টেজ উৎসেচকের প্রভাবে অঙ্গীভূত গেতসার পুনরায় তরল ও দ্রবণীয় গ্লুকোজে পরিণত হয় এবং ফ্লোয়েম কলার মাধ্যমে সারা দেহে পরিবাহিত হয়। এই গ্লুকোজ বিভিন্নভাবে ব্যবহৃত হয়। যেমন a. শ্বসনে ব্যবহৃত হয়ে শক্তি নির্গত করে। b. কিছু পরিমাণ শর্করা ভবিষ্যতে ব্যবহারের জন্য অদ্রবণীয় শ্বেতসাররূপে মূল বা অন্যান্য সঞ্চয়ীঅঙ্গে সন্ধিত থাকে।
সালােকসংশ্লেষ কীভাবে খাদ্যশৃঙ্খলের সঙ্গে যুক্ত ?
সালােকসংশ্লেষ দ্বারা কোনাে বাস্তুতন্নে সৌরশক্তি উদ্ভিদদেহে গ্লুকোজে স্থিতিশক্তিরূপে আবদ্ধ হয়। এই স্থিতিশক্তি প্রথমে প্রথম শ্রেণির খাদক (তৃণভােজী প্রাণী)-এর দেহে পৌঁছােয়। পরে খাদ্যশৃঙ্খলের বিভিন্ন ভরের অন্যান্য মাংসাশী খাদকের দেহে তা ক্ৰমান্বয়ে সঞ্চারিত হয়। সর্বোচ্চ শ্রেণির খাদকের মৃত্যুর পর মৃতজীবী ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক প্রভৃতি বিয়ােজকেরা এই স্থিতিশক্তির অবশিষ্টাংশ লাভ করে।
সমস্ত সবুজ উদ্ভিদের ধ্বংস শেষ পর্যন্ত প্রাণীজগতের অস্তিত্বই বিপন্ন করবে’-কেন?
প্রাণীজগতের সঙ্গে উদ্ভিদ তথা সালোকসংশ্লেষের সম্পর্ক অতি নিবিড়। কারণ— 1. খাদ্যের জন্য তৃণভোজী প্রাণীরা সম্পূর্ণভাবে উদ্ভিদের ওপর নির্ভরশীল। অন্যান্য সবক ও মাংসাশী প্রাণীরা খাদ্যের জন্য পরােক্ষঞ্জানে। উদ্ভিদের ওপরই নির্ভর করে। 2. শ্বসনের জন্য প্রয়ােজনীয় অরিজেনও আসে। সালােকসংশ্লেষের মাধ্যমে। 3. মানুষের প্রাত্যহিক জীবনের প্রয়োজনীয়। নানা দ্রব্য, যেমন-ওষুধ, কাগঞ্জ, রং ইত্যাদির উৎস হল উদি। 4. প্রাণীদের সনে উৎপন্ন কার্বনডাই অক্সাইড উদ্ভিদ ব্যবহার করে পরিবেশকে দুষণমুক্ত করে।
